সৌদি আরব যেতে কত টাকা খরচ হয়? এবং সৌদি আরব কিভাবে যাবেন তা নিয়ে চিন্তিত
তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য। এবং সৌদি আরবে কিভাবে কাজ পাবেন সে সম্পর্কে
বিস্তারিত জানতে পুরো আর্টিকেলটি পড়ুন।
আজকের আলোচনার মূল বিষয় সৌদি আরব যেতে কত টাকা খরচ হয়। এবং সৌদি আরব যাওয়ার
সকল সহজ মাধ্যম গুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরাব ইনশাআল্লাহ।
পোস্ট সূচিপত্রঃ সৌদি আরব যেতে কত টাকা খরচ হয়
সৌদি আরব যেতে কত টাকা খরচ হয় তার সম্পূর্ণ ধারণা
সৌদি আরব যেতে কত টাকা খরচ হয় মূলত সম্পূর্ণ এটি নির্ভর করে। আপনি কোন ধরনের
ভিসায় সৌদি আরব যেতে চান তার উপর নির্ভর করে থাকে। সাধারণত আমরা জানি কাজের
ভিসা, ওমরাহ ভিসা, হজের ভিসা সকল বিষয়গুলোতে আলাদা আলাদা খরচ হয়ে থাকে। বিশেষ
করে বাংলাদেশ থেকে শত করা ৮০ ভাগ মানুষ কাজের ভিসায় সৌদি আরব গিয়ে থাকে। তাই
কাজের ভিসার গুরুত্বটা অনেক বেশি দেওয়া হয়। বর্তমান ২০২৬ সালে কাজের বিষয়ে
সৌদি আরব যেতে তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।
তবে কোন কোম্পানি আপনাকে যদি বিশেষ করে ফ্রি ভিসার দিয়ে থাকে তাহলে আপনার খরচ
অনেক কম হবে। প্রায় ১ লক্ষ থেকে ১৫০ হাজার টাকা এর মধ্যে হয়ে যায়। তবে
আপনি যদি এজেন্সি বা দালালের মাধ্যমে যান তাহলে সার্ভিস চার্জ হিসাবে আরো টাকা
যোগ হতে পারে। তবে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব ফ্রাইটের টিকিটের দাম প্রায় ৭০ হাজার
থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। টিকিটের দাম এয়ারলাইন্স এবং শহরের উপর
নির্ভর করে কম বেশি হতে পারে।
সৌদি আরব এর কাজের ভিসা পাওয়ার পর সৌদি আরব যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার পূর্বে
আপনাকে মেডিকেল টেস্ট এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স। এবং আপনার পাসপোর্ট যদি আপডেট
করা না থাকে তাহলে পাসপোর্ট আপডেট ইত্যাদি। সকল কাগজপত্র সংগ্রহ এ সকল কাজগুলো
করতে প্রায় ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। এ সকল কাজ টেস্ট এবং
কাগজপত্র সকল ভিসার ক্ষেত্রেই বাধ্যতামূলক করা হয়ে থাকে।
বাংলাদেশের অনেক এজেন্সি রয়েছে যারা সার্ভিস চার্জ হিসাবে অনেক মোটা অংকের
টাকা নিয়ে থাকে। প্রায় এক লক্ষ ৩০হাজার থেকে ২ লাখ টাকার অধিক পর্যন্ত নিয়ে
থাকে। তাই বিশ্বাসতো লাইসেন্স প্রাপ্ত এজেন্সি আপনার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ
এজেন্সি লাইসেন্স প্রাপ্ত না হলে আপনি প্রতারণা শিকার হতে পারেন তাই সাবধান।আর
আপনি যদি ওমরাহ হজের ভিসায় সৌদি আরব যেতে চান।
তাহলে অনেক এজেন্সির প্যাকেজ রয়েছে প্যাকেজ অনুযায়ী সাধারণত আপনার খরচ হতে
পারে প্রায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার থেকে ২ লক্ষ ৯০ হাজার পর্যন্ত হতে পারে এতে আপনি
পাবেন ভিসা , বিমানের টিকিট, থাকার জন্য উপযুক্ত হোটেল, এবং ওমরা করা পর্যন্ত
সকল উপযুক্ত খাবার। সবকিছু মিলিয়ে সৌদি আরব আপনি কোন ভিসায় যাবেন সে ভিসা এবং
এজেন্সির ওপর আপনার কত টাকা খরচ হবে তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে।
সৌদি আরব কাজের ভিসায় যেতে কত টাকা লাগে
আমাদের থেকে অনেকে জানতে চেয়েছেন সৌদি আরব কাজের ভিসায় যেতে কত টাকা লাগে। এ
প্রশ্নটি বিশেষ করে যারা সৌদি আরব কাজে যেতে ইচ্ছুক তারা অনেকে আমাদের থেকে
জানতে চেয়েছেন। সৌদি আরব যেতে মূলত মোট খরচ নির্ভর করে ভিসার ধরন অনুযায়ী এবং
কোম্পানি বা এজেন্সি ও বিমানের টিকিট পাসপোর্ট সংক্রান্ত সকল কাগজপত্রের উপর
নির্ভর করে থাকে। তাই আর্টিকেল থেকে জানতে পারবেন অপ্রয়োজনীয় খরচ এবং
প্রতারণা হাত থেকে কিভাবে বাঁচবেন
আপনি যদি সরাসরি বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব কাজের ভিসায়। কোন কোম্পানিতে যেতে চান
তাহলে ২ লক্ষ থেকে।৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। এবং আপনি যদি এজেন্সি বা
দালানের মাধ্যমে যান তাহলে খরচ আরও বেশি হতে পারে। আবার আপনি যদি কোন কোম্পানির
ফ্রি ভিসা পান তাহলে তুলনামূলকভাবে অনেক খরচ কম হতে পারে সর্বোচ্চ ১ লাখ থেকে ১
লাখ ৫০ হাজার টাকা হতে পারে।
বিমানের টিকিট হলো মোট খরচের টাকা মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ খরচের অংশ। বাংলাদেশ
থেকে সৌদি আরব বিমানের ভাড়া সাধারণত ৭০ হাজার থেকে এক লক্ষ পর্যন্ত হয়ে থাকে।
ওমরাহ হজের মৌসুম সমকালীন টিকিটের দাম একটু বেশি হয়ে থাকে। এছাড়াও আপনি সৌদি
আরব যাওয়ার পূর্বে মেডিকেল টেস্ট স্মার্ট কার্ড পুলিশ ক্লিয়ারেন্স। এ সকল
ছোটখাটো খরচ গুলো মিলে প্রায় ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।
আরো পড়ুনঃ
সিঙ্গাপুর কাজের ভিসাতে যেতে এখানে চাপুন।
সকল খরচ এর টাকা মিলিয়ে সৌদি আরব কাজের ভিসায় যেতে দুই থেকে পাঁচ লাখ টাকা
মধ্যে হয়ে থাকে। কিন্তু আপনার খরচটা কম বেশি হতে পারে আপনি কোন ভিসার
মাধ্যমে যাচ্ছেন সে বিচার মাধ্যম অনুযায়ী খরচ কম বেশি হয়ে থাকে। কাজের
ভিসায় আপনার যদি খরচ বেশি হয় তাহলে হয়তো আপনি ভুল এজেন্সি এবং দালালে
আপনাকে প্রতারণা করছে। তাই সরকারি অনুমোদিত এজেন্টের মাধ্যমে আবেদন করা উচিত।
সৌদি আরবে ভিসার খরচ কম বেশি হওয়ার কারণ
আমাদের থেকে অনেকের জানতে চেয়েছেন যে সৌদি আরবে ভিসার খরচ কম বেশি হয় কেন।
সে সম্পর্কে চলুন তাহলে নিচে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক। ভিসার খরচ কম বেশি
হওয়ার মূল কারণ হলো ভিসা ধরন অনুযায়ী ভিসার খরচ হয়ে থাকে। কারণ সৌদি আরবের
ভিন্ন ভিন্ন ভিসার জন্য ভিন্ন ভিন্ন খরচ নির্ধারণ করা হয়ে থাকে বিশেষ করে
কাজের ভিসার খরচ বেশি ধরা হয়। যেমন কাজের ভিসা, ভিজিট ভিসা বা ওমরাহ ভিসার
ফি ও নিয়ম ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায় খরচও ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।
কোম্পানি এবং এজেন্সির ভিসার ওপর নির্ধারণ করে আপনার সমস্ত খরচ। কোম্পানি যদি
আপনাকে ফ্রি ভিসা দিয়ে থাকে তাহলে আপনার খরচ অনেক কম হয়ে থাকে। আর আপনি যদি
এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা নিয়ে যান তাহলে তাদের সার্ভিস চার্জ যোগ হয়ে খরচ
অনেক বেড়ে যায়। বিশেষ করে বিমান টিকিটের দাম, মৌসুম, মেডিকেল টেস্ট ও
সরকারি ফি পরিবর্তনের এই সকল কারণে ও ভিসার মোট অনেক সময় কম বেশি হয়ে থাকে।
তাই ভিসা করার আগে সব খরচ সম্পর্কে জেনে নেওয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
কম খরচে সৌদি আরব যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ টিপস ১০ টি
আমাদের থেকে অনেকে জানতে চেয়েছেন যে সৌদি আরব কম খরচে কিভাবে যাওয়া যায়।
কম খরচে কিভাবে ওমরা করা যায়। এবং কম টাকা খরচ করে কিভাবে সৌদি আরবে কাজের
ভিসায় যাওয়া যায় চলুন তাহলে নিচে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক পয়েন্ট
আকারে।
-
কোম্পানি বা নিয়োগ কারি থেকে ফ্রি ভিসা নেওয়ার চেষ্টা এবং সরকারি
অনুমোদিত ফ্রি ভিসা এগুলোর মাধ্যমে বিদেশ গেলে অনেক টাকা খরচ কম হয়।
-
সরকারি অনুমোদন প্রাপ্ত এজেন্সির মাধ্যমে এদেশে যাওয়ার আবেদন করুন ফলে
কমিশন এড়িয়ে যেতে পারবেন।
-
বিমানের টিকিট অগ্রিম কাটার চেষ্টা করুন তাহলে টিকিটের দাম কিছুটা কম
পাবেন।
-
মেডিকেল টেস্ট করুন সরকারি কমপ্লেক্সে ফলে অতিরিক্ত খরচ এড়িয়ে যেতে
পারবেন।
- উচ্চমানের হোটেল ব্যবহার না করে কম মানের হোটেল ব্যবহার করুন।
- পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করুন আপনার খরচ অনেকটা কম হবে।
-
সরকারি লাইসেন্স প্রাপ্ত এজেন্সি গুলো ওমরাহ জন্য কম খরচের প্যাকেজে
রাখে।
-
আপনার প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র নিজেই সংগ্রহ করুন এজেন্সি দিয়ে সংগ্রহ
না করা ফলে আপনার খরচ অনেক বেঁচে যাবে।
- দৈনন্দিন এর খাবার স্বাস্থ্য সম্পন্ন খান ফলে খরচ কম হবে।
ওমরাহ হজ সৌদি আরব যেতে কত টাকা খরচ হয়
বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব ওমরাহ হজে গেলে কত টাকা খরচ হতে পারে সে সম্পর্কে
আমাদের থেকে অনেকে জানতে চেয়েছেন। চলুন তাহলে নিচে সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া
যাক। ওমরাহ হজের জন্য সাধারণত ১ লক্ষ ৪০ হাজার থেকে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ
হতে পারে। ভিসা, বিমান, হোটেল ও উপযুক্ত খাবার পরিবহন ইত্যাদি সকল কিছু এর
মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।
আর আপনি যদি হজ করতে যেতে চান তাহলে হজের খরচ অনেক বেশি হয়ে থাকে
সাধারণত ৬ লক্ষ থেকে ৯ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।কারণ দীর্ঘ সময় থাকার,
হোটেল, পরিবহন ও অন্যান্য সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকে। এই সকল কিছুর জন্য হজের
খরচ অনেক বেশি হয়ে থাকে।
সৌদি আরব যেতে এজেন্সি সার্ভিস ফি কত নিয়ে থাকে
সাধারণত সৌদি আরব যেতে এজেন্সি বা দালালরা সাধারণত ভিসার ওপর সার্ভিস চার্জ
নিয়ে থাকি ওমরাহ ভিসার ক্ষেত্রে এটি প্রায়
৭০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা
পর্যন্ত নিয়ে থাকে। সাধারণত ট্যুরিস্ট বা ছোট প্যাকেজ ভিসায় এজেন্সির
সার্ভিস ফি হিসাবে ২৫ থেকে ৫০০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। এবং বিভিন্ন দেশ
কাজের ভিসার ক্ষেত্রে এজেন্সি অনেক টাকা নিয়ে থাকে প্রায় ২ লক্ষ থেকে ২
লক্ষ ৫০ হাজারটাকা পর্যন্ত। তাই সৌদি আরব যাওয়ার আগে ভিসার সরকারি ফি ছাড়াও
এজেন্সি সার্ভিস ফি যোগ করে মোট খরচ হিসাব করে নেওয়া আপনার জন্য জরুরি।
মেডিকেল টেস্ট ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স খরচ কত
মেডিকেল টেস্ট ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স খরচ সম্পর্কে আমাদের থেকে জানতে
চেয়েছেন। বিশেষ করে যারা সৌদি আরব কাজের ভিসায় যেতে চান তাদের মধ্যে থেকে
অনেকেই চলুন তাহলে নিচে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যায়। মেডিকেল টেস্টে
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রক্ত পরীক্ষা, ইউরিন পরীক্ষা, ফ্লু, হেপাটাইটিস,
এক্স-রে এবং কখনো কখনো করোনা বা অন্যান্য স্বাস্থ্য সনদ অন্তর্ভুক্ত থাকে।
বাংলাদেশ থেকে এই মেডিকেল খরচ সাধারণত
১০ থেকে ২০ হাজার টাকা
পর্যন্ত খরচ হয়ে থাকে। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বা পরিচয়পত্র বাংলাদেশে
সাধারণত ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার খরচ হতে পারে। তবে এজেন্সির মাধ্যমে
আবেদন করলে খরচ আরো বেশি হতে পারে। প্রতারকের হাত থেকে বাঁচতে সরকারি
লাইসেন্স প্রাপ্ত এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন তাহলে ঝুঁক কম থাকবে।
ফ্রি ভিসা সৌদি আরব যেতে কত টাকা লাগে
সৌদি আরবে ফ্রি ভিসা বলতে কোম্পানি অথবা নিয়োগকারী আপনার ভিসার সম্পূর্ণ
নিজে খরচ বহন করবে। ফলে আপনাকে শুধু ছোট খরচ করতে। সাধারণত এই খরচগুলো হলো
মেডিকেল টেস্ট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, যাতায়াত খরচ বা ব্যক্তিগত কাগজপত্রের
খরচ।
বাংলাদেশ থেকে ফ্রি ভিসা অনুযায়ী সৌদি আরবে যাওয়ার মোট খরচ
সাধারণত প্রায় ৪০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। যা মূলত
মেডিকেল টেস্ট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এবং কিছু ছোট ফি অন্তর্ভুক্ত। ভিসা ফি এবং
বিমান খরচ কোম্পানি বহন করে। তাই আপনি যদি এজেন্সির মাধ্যমে যান তাহলে এই
ছোটখাটো খরচ টুকু আপনার করতে হবে।
কাজের ভিসায় সৌদি যাওয়ার পূর্বে জরুরি ১০টি টিপস
যারা সৌদি আরব কাজের ভিসায় যেতে চান বা যেতে ইচ্ছুক তাদের জন্য এই পর্বে
অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আলোচনা করা হবে। সৌদি আরব যাওয়ার পূর্বে যে ১০টি
টিপস আপনার জানা না থাকলে আপনি। বিপদে পড়তে পারেন। চলুন তাহলে সেই ১০টি টিপস
সম্পর্কে নিচে পয়েন্ট আকারে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
-
বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরব গিয়ে আপনি বিপদে পড়তে পারেন। তাই
সরকারি অনুমোদন এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশেও যাওয়া উচিত ফলে ঝুঁকি থাকে না।
এবং নিরাপদে কম খরচে যাওয়া যায়।
-
কাজের চুক্তি আগে ভালোভাবে পড়ে নিন এবং লিখিত চুক্তি ভালোভাবে পড়ে বুঝে
নিশ্চিত করুন।
-
যদি আপনাকে কোম্পানি ফ্রি ভিসার দিয়ে থাকে তাহলে ফির ভিসা নিন ফলে
কোম্পানি আপনার ভিসার খরচ বহন করবে।
- মেডিকেল পরীক্ষার সার্টিফিকেট নিয়ে সৌদি আরবের প্রবেশ করুন।
- ভিসার সকল কাগজপত্র এক কপি করে নিজের কাছে রাখুন।
- কাজে বা ভ্রমণে যাওয়ার জন্য বিমানে টিকিট অগ্রিম বুক করুন।
- আপনার প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত খরচের একটি সাধারণ নমুনা তৈরি করুন।
-
আপনার পরিবারের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন এবং জরুরি কন্টাক্ট নাম্বার
নিজের সাথে রাখুন।
লেখকের মতামত - সৌদি আরব যেতে কত টাকা খরচ হয়
প্রিয় পাঠক আশা করি পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ে আপনি উপকৃত হয়েছেন।
এবং পুরো আর্টিকেলটি আপনি পড়ে আশা করি বিস্তারিত জানতে পেরেছেন সৌদি
আরব যেতে কত টাকা খরচ হয়। কারণ এয়ার টিকেলে আলোচনা করা হয়েছে সৌদি আরব
কাজের ভিসায় যেতে কত টাকা খরচ হয়। আপনি কম খরচে সৌদি আরব কিভাবে যাবেন।
এবং ভিসার খরচ কম বেশি কেন হয়। সৌদি আরব যেতে এজেন্সি সার্ভিস ফি কত টাকা
নিয়ে থাকে। এছাড়াও সৌদি আরব যেতে কত টাকা লাগে ইত্যাদি সকল বিষয়ে
বিস্তারিত আলোচনা করেছি। প্রিয় পাঠক আপনার সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করে আজকের
আর্টিকেল রাইটিং এখানে সমাপ্ত করছি টেকি বাজার।
টেকি বাজার আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url