চাকরির সঠিক সিভি লেখার নিয়ম

চাকরির সঠিক সিভি লেখার নিয়ম জানতে আপনি কি ইচ্ছুক? এ আর্টিকেল থেকে জানতে পারবেন। কিভাবে সিভি লিখতে হয় এবং সিভিতে কোন তথ্যগুলো দিতে হয়। এবং চাকরির জন্য একটি সিভি কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
চাকরির সঠিক সিভি লেখার নিয়ম
আজকের আলোচনার মূল বিষয় চাকরির সঠিক সিভি লেখার নিয়ম। একটি সিভি কিভাবে লিখলে আপনি চাকরির একজন যোগ্য পাত্র হিসেবে তাদের কাছে গণ্য হবেন। সেই সম্পর্কে এই আর্টিকেলটিতে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

পোস্ট সূচিপত্রঃ চাকরির সঠিক সিভি লেখার নিয়ম

সিভি কি এবং চাকরির জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ

সিভি হল চাকরির আবেদনের প্রথম ধাপ। সিভি হলো একজন চাকরি প্রত্যাশী প্রার্থী লিখিত পরিচয় পত্র। যেখানে উল্লেখ করা থাকবে তার সকল তথ্য। যেমন তার নাম এবং তার সম্পূর্ণ ঠিকানা। এবং তার কাজের যোগ্যতা বা শিক্ষাগতা যোগ্যতা সম্পূর্ণ সংক্ষেপে বিবরণ দেওয়া থাকবে। এবং এই সিভি আপনার সকল যোগ্যতাকে প্রমাণ করতে সক্ষম হবে। এবং চাকরির জন্য ইন্টারভিউ আপনাকে পর্যন্ত নিয়ে যাবে। এবং সিভি আপনাকে অন্যান্য প্রার্থীর থেকে আলাদা করবে।

আপনার চাকরি হওয়া এবং না হওয়ার সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা রাখে সিভিতে। চাকরি নিয়োগ করি আপনার সিভি দেখে আপনাকে মূল্যায়ন করে থাকে। আপনার সিভি যদি আকর্ষণীয় ও সুন্দর  হয় তাহলে আপনার ইন্টারভিউ এবং চাকরির সুযোগ অনেকটা বেড়ে যায়। আর আপনার সিভি যদি দুর্বল হয় তেমন সাজানো গোছানো না থাকে। তাহলে আপনার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সিভি আকর্ষণীয় না হয় কারণে আপনার চাকরি না হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়।

তাই একটি সিভি অবশ্যই আপনার চাকরির জন্য অনেক ভূমিকা পালন করে। এবং অবশ্যই সিভি জমা দেওয়ার পূর্বে পুরো সিভি আপনি মনোযোগ দিয়ে পড়ে নিবেন। সিভিতে কোনো রকম ভুল থাকলে তা সংশোধন করবেন। মনে রাখবেন আপনার চাকরি হওয়ার না হওয়ার সবথেকে বড় ভূমিকা রাখে একটি সিভি। অবশ্যই সিভিতে আপনার যোগ্যতা এবং কাজের দক্ষতা সাজিয়ে গুছিয়ে লিখতে হবে। তাহলে আপনার চাকরি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যাবে।

চাকরির সঠিক সিভি লেখার নিয়ম

আমাদের থেকে অনেকে জানতে চেয়েছেন চাকরির জন্য কিভাবে সঠিক সিভি লিখতে হয়। এবং একটি আদর্শ সিভি কয় পৃষ্ঠার মধ্যে লিখা উত্তম। চলুন তাহলে সে সম্পর্কে আজকের আর্টিকেলের এই পর্বে বিস্তারিত পয়েন্ট আকারে নিচে জেনে নেওয়া যাক।
  • সিভি লিখার চেষ্টা করবেন সংক্ষিপ্ত করে এবং ইস্পষ্ট করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো ব্যবহার করবেন।
  • এবং একটি সিভি কখনো ৩-৪ পৃষ্ঠা লিখবেন না চেষ্টা করবেন এক থেকে দুই পৃষ্ঠার মধ্যে লিখার।
  • এবং আপনার ব্যক্তিগত ঠিকানা স্পষ্টভাবে দিবেন। প্রথমে আপনার নাম, পিতার নাম, মোবাইল নাম্বার ইমেইল ঠিকানা স্পষ্ট ভাবে লিখবেন
  • আপনি কোন চাকরির জন্য উপযুক্ত এবং কোন চাকরিটি আপনি করতে চান সেই চাকরির সম্পর্কে দুই তিন লাইন সংক্ষেপে লিখবেন কেন সে চাকরি করতে চান
  • এবং আপনার শিক্ষাগতা যোগ্যতা ধাপে ধাপে লিখুন যেমন এসএসসি এইচএসসি ইত্যাদি এবং আপনার রেজাল্ট উল্লেখ করুন
  • আপনি কোন কোন কাজে ভাল এক্সপার্ট এবং আপনার ভালো অভিজ্ঞতা আছে। সে কাজগুলো উল্লেখ করুন এবং এর পূর্বে আপনি কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন সে কাজের প্রতিষ্ঠান না উল্লেখ করুন। এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানে আপনি কোন পদে চাকরি করেছেন সে পথ উল্লেখ করুন
  • আপনার কাজের দক্ষতা এবং ইস্কীল গুলো ভিন্ন ভিন্ন করে দেখান যেমন বর্তমান কম্পিউটার স্কিল ইংলিশ স্পিকিং ইত্যাদি।
  • সিভিতে ভুল তথ্য দিবেন না আপনার যে কাজের প্রতি অভিজ্ঞতা নাই সে কাজের কথা উল্লেখ করবেন না ভুল তথ্য আপনার চাকরির বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
  • সিপিতে জটিল ভাষা ব্যবহার করবেন না সহজ ভাষায় ব্যবহার করুন এবং অপ্রয়োজনীয় তথ্য না দেওয়াই ভালো।
  • চাকরির জন্য সিভি দেওয়ার পূর্বে অবশ্যই সিভিটি একবার মনোযোগ দিয়ে পড়ে নিন সিভিতে কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে তা সংশোধন করুন।
  • ভিন্ন ভিন্ন চাকরির জন্য একই সিবি ব্যবহার করবেন না ভিন্ন ভিন্ন চাকরির জন্য ভিন্ন ভিন্ন সিভি ব্যবহার করুন আপনার চাকরি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যাবে তাহলে।
প্রিয় পাঠক উপরের দেওয়া সকল তথ্যগুলো অনুসরণ করে আপনি যদি একটি সিভি লিখেন। তাহলে আশা করি আপনার সিবিটি একটি আদর্শ সিমি হিসেবে গণ্য হবে। এবং আপনার চাকরি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা বেড়ে যাবে। এবং আপনাকে ইন্টারভিউ দেওয়ার একটি সুযোগ করে দিবে এই সিবি।

সঠিক সিভি লেখার পূর্বে যে ১০টি বিষয় জানা জরুরি

চাকরির জন্য একটি সঠিক সিভি লিখার পূর্বে যে১০টি বিষয়ে জানা জরুরী। অনেকে জানেন না সেই ১০ টি বিষয়ে আসলে কি।  চলুন তাহলে সেই ১০টি বিষয় সম্পর্কে নিজে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
  • আপনি যে চাকরি করতে চাচ্ছেন এবং যে চাকরির জন্য আবেদন করেছেন। সে চাকরির চাহিদা কতটা রয়েছে সে সম্পর্কে আগে জেনে নেওয়া।
  • সিভি সাধারণ কথায় তৈরি করা অপ্রয়োজনীয় জটিল কথা দিয়ে সিভি তৈরি না করা।
  • সিভি ২ পৃষ্ঠার মধ্যে লিখলে সব থেকে বেশি ভালো অপ্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে তিন চার পৃষ্ঠা না করা।
  • ব্যক্তিগত তথ্য যেগুলো সিভিতে প্রয়োজন পড়ে না সে তথ্যগুলো না দেওয়াই ভালো।
  • সহজ প্রফেশনাল ভাষায় সিভি লিখা অনেক জরুরী
  • সিভিতে শিক্ষাগতা যোগ্যতা এবং নিজের সম্পন্ন ঠিকানা ব্যবহার করা
  • সিভিতে মিথ্যা ঠিকানা এবং মিথ্যা শিক্ষাগত যোগ্যতা ব্যবহার না করা
  • আপনার যে সকল কাজের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা রয়েছে সেগুলো সাজিয়ে গুছিয়ে ভিন্ন ভিন্ন করে লেখা।
  • এবং সিভিতে ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে তা সংশোধন করুন।
  • যে ধরনের চাকরি সার্কুলার দেয়া হয়েছে সেই ধরনের চাকরি অনুযায়ী সিভি তৈরি করুন।

একটি আদর্শ সিভি কেমন হওয়া উচিত

একটি আদর্শ সিভি এমন হওয়া উচিত নিয়োগ কারী সিভিটি পড়ে আপনার যোগ্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত বুঝতে পারবে এবং জানতে পারবে। এবং আপনার সিভিটি সহজ এবং পরিষ্কার ভাষায় উল্লেখ করা থাকবে। এবং সিভিটি সর্বোচ্চ দুই পৃষ্ঠা এর মধ্যে হতে হবে। এবং সিভিটি দেখতে সুন্দর হবে এবং খুব সহজে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো চোখে পড়বে। এবং আপনার সিভি শুরুতে নিজের ঠিকানা সম্পূর্ণ দিতে হবে যেমন নিজের নাম, মোবাইল নাম্বার, বর্তমান ঠিকানা, ইমেল ঠিকানা।
চাকরির সঠিক সিভি লেখার নিয়ম
এবং আপনি এই চাকরিটির জন্য আপনি কতটা যোগ্য। এবং আপনার যোগ্যতা সম্পর্কে দুই থেকে তিন লাইন এর মধ্যে সংক্ষেপে তুলে ধরতে হবে। এবং আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পূর্ণ সিভিতে তুলে ধরতে হবে। এবং আপনার যোগ্যতা গুলো যদি ধাপে ধাপে উল্লেখ করেন তাহলে আপনার সিভিটি অনেক আকর্ষণীয় হবে। এবং এর পর আপনি যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন সে প্রতিষ্ঠানে কোন পদে চাকরি করেছেন সেই সম্পর্কে সিভিতে উল্লেখ করতে হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সিভিতে কোন ধরনের ভুল তথ্য ব্যবহার করা যাবে না। সিভিতে ভুল তথ্য বা বানান ভুল এগুলো চাকরির জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ায় নিয়োগ কারি কাছে। এবং সিভির মান নষ্ট করে ফেলে। চাকরির ধরন অনুযায়ী সিভি যদি ঠিক তথ্য লিখা থাকে এবং সঠিক তথ্য ব্যবহার করা থাকে তাহলে চাকরির জন্য ইন্টারভিউ জন্য কল পাওয়া সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

সিভিতে সঠিক ব্যক্তিগত তথ্য লেখার ১০ টি কার্যকরী টিপস

আমাদের থেকে অনেকেই জানতে চেয়েছেন সিভিতে সঠিক ব্যক্তিগত তথ্য লিখতে হয় কিভাবে। অনেকে সে সম্পর্কে জানেন না তাই আপনাদের কথা মাথায় রেখে আর্টিকেলের এই পর্বতে ব্যক্তিগত তথ্য সঠিকভাবে লেখার কার্যকারী ১০টি টিপস নিয়ে আলোচনা করব। নিচে চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক।

  • NID কার্ড অনুযায়ী আপনার নাম সম্পূর্ণ লিখুন।
  • নিয়োগ কারি আপনার সাথে যেন যোগাযোগ করতে পারে তার জন্য সঠিক মোবাইল নাম্বার দিন।
  • নিয়োগ কারি আপনার সাথে ইমেইলে যেন যোগাযোগ করতে পারে তার জন্য প্রফেশনাল ইমেইল দিন।
  • ঠিকানা আপডেট রাখুন শহর বা জেলা উল্লেখ করতে পারেন, তবে খুব বিস্তারিত ঠিকানা শুধুমাত্র প্রয়োজন হলে দিন।
  • আপনার জন্মতারিখ বা লিঙ্গ প্রয়োজন যদি হয় তাহলে দিন।
  • আপনার কোন ধর্ম শুধু প্রয়োজন হলে দিন।
  • সিভিতে কোন ভুল তথ্য দেওয়া থাকলে বা বানান ভুল হলে সংশোধন করুন।
  • অতিরিক্ত ব্যক্তিগত তথ্য না দেওয়াই ভালো।
  • নিজের সম্পর্কে সত্য নিষ্ঠা তথ্য দিয়ে সিভি সম্পন্ন করুন।
  • এবং সিভিটি দুই পৃষ্ঠার মধ্যে লিখার চেষ্টা করুন।

সিভিতে যে ১০টি তথ্য এড়িয়ে যাওয়া উচিত

আমাদের মাঝে অনেকে রয়েছেন যারা সিভিতে অনেক ভুল তথ্য দিয়ে থাকার। ভুল তথ্য দেওয়ার কারণে তাদের চাকরি হয়না। আপনারা সবাই সিভিতে যে ১০ টি ভুল তথ্য দিয়ে থাকেন চলুন সে ১০ টি ভুল তথ্য কি তা পয়েন্ট আকারের নিচে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
  • অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্য অতিরিক্ত দেওয়া যেমন জন্মস্থান জাতীয় ধর্ম ইত্যাদি
  • অপ্রয়োজনীয় সোশ্যাল মিডিয়ার লিংক সিভিতে উল্লেখ করা
  • অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ঠিকানা ব্যবহার করা
  • এবং সিভি ৩-৪ পৃষ্ঠা করে লেখা
  • এবং সিভিতে বেশি বেশি বানান ভুল করে থাকা
  • সিভিতে মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করা যেমন শিক্ষগত যোগ্যতা না থাকলেও দেওয়া। এবং কাজের অভিজ্ঞতা দক্ষতা না থাকলেও উল্লেখ করা।
  • অপ্রয়োজনীয় ছবি ব্যবহার করা
  • এবং ব্যক্তিগত আর্থিক অবস্থা সিভির মধ্যে উল্লেখ করা
  • প্রয়োজন ছাড়াই অন্য কারো সুপারিশ ব্যবহার করা
  • কাজের দক্ষতা এবং শিক্ষকতা যোগ্যতার কথা অনেক ছোট ছোট করে তুলে ধরা
  • চাকরির বিজ্ঞাপন অনুযায়ী সিভি তৈরি না করা

সিভিতে কাজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা লিখার টেকনিক

সিভিতে কাজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা লিখার সবথেকে সহজ ও গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক হল। আপনার যে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং আপনি যে কাজ করছেন তা স্পষ্ট ও সংক্ষেপে তুলে ধরা। আপনার কাজের অভিজ্ঞতা উপরে ব্যবহার করা এবং তার নিচে ফলাফল সংক্ষেপে তুলে ধরা। আপনার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা গুলোকে হাইলাইট করে লিখা যাতে দ্রুত চোখে পড়ে। এবং আপনার সকল যোগ্যতা ব্যক্তিগত তথ্যগুলো সাজিয়ে গুছিয়ে তুলে ধরা।

চাকরি অনুযায়ী সিভি তৈরি করার সঠিক নিয়ম

প্রথমে আপনাকে চাকরির বিজ্ঞাপন দেখে আপনাকে বুঝে নিতে হবে নিয়োগ কারী। কেমন দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তি নিয়োগ দিতে চাচ্ছে । এবং কোন কোন বিষয়ে দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা থাকলে নিয়োগ কারি আপনাকে চাকরি দিবে সে বিষয়গুলো প্রথমে ভালোভাবে দেখে নিতে হবে। তারপরে একটি সুন্দর আকর্ষণীয় করে সিভি তৈরি করতে হবে।
চাকরির সঠিক সিভি লেখার নিয়ম

এবং আপনার দক্ষতা বা ফলাফল সংখ্যা সিভিতে তুলে ধরে বিশ্বাসযোগ্য করতে হবে। সহজ, ভাষায় প্রফেশনাল এবং ইউনিক তথ্য দিয়ে লিখতে হবে। কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ বা সার্টিফিকেট থাকলে উল্লেখ করতে হবে। সিভি পড়ে নিয়োগ কারী যেন সহজে বুঝতে পারে আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো কি উল্লেখ করা। সবশেষে  সব তথ্য সত্য ও নির্ভুল রাখতে হবে।

সিভি জমা দেওয়ার পূর্বে যে ভুলগুলো করা যাবে না

সিভি জমা দেওয়ার পূর্বে যে সকল সাধারণ ভুলগুলা করা যাবে না। এবং যে ভুলগুলো করলে আপনার চাকরি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। এবং চাকরি না হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি চলুন সেই ভুলগুলোর নিচে জেনে নেওয়া যাক। ঠিকানাতে কিংবা নামে কোন ভুল বানান করা যাবে না। এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত অতিরিক্ত তথ্য দেয়া যাবে না। সঠিক ফরম্যাট ব্যবহার করে সিভি লেখা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

অগোছালো বা জটিল শব্দ ব্যবহার না করায় উচিত। সিভিতে ফোন নাম্বার বা ইমেইল ভুল করা যাবে না। এবং যে সকল বিষয়ে আপনার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা নাই নেই সে সকল বিষয় সিভিতে উল্লেখ করা যাবে না যে আমার দক্ষতা রয়েছে। এবং সিভি সংক্ষেপে লিখতে হবে দুইপৃষ্টার মধ্যে লিখতে পারলে সব থেকে বেশি ভালো

শেষ কথা - চাকরির সঠিক সিভি লেখার নিয়ম

প্রিয় পাঠক আশা করি পুরো আর্টিকেলটি আপনি মনোযোগ দিয়ে পড়ে চাকরির সঠিক সিভি লেখার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে গেছেন। কারণ এই আর্টিকেলে আলোচনা করা হয়েছে সিভি কি সিভি কিভাবে লিখতে হয় চাকরির জন্য সঠিক সিভি লেখার নিয়ম। সিভি লেখার পূর্বে যে বিষয়গুলো জানা অনেক জরুরী এবং একটি আদর্শ সিভি কেমন হওয়া উচিত।

এবং সিভিতে ব্যক্তিগত তথ্য লেখার নিয়ম ইত্যাদির সকল বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে তাই প্রিয় পাঠক আশা করি পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ে উপকৃত হয়েছেন। প্রিয় পাঠক আপনার সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করে আজকের আর্টিকেল রাইটিং এখানে সমাপ্ত করছি টেকি বাজার।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

টেকি বাজার আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Touhid Islalm
Md. Touhid Islalm
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও অর্ডিনারি আইটির সিনিয়র সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।