গুগল এডসেন্স এর একাউন্ট কিভাবে খুলতে হয়

গুগল এডসেন্স এর একাউন্ট কিভাবে খুলতে হয় সে সম্পর্কে আপনি কি বিস্তারিত জানতে ইচ্ছুক? তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য। এবং গুগল  এডসেন্স কিভাবে খুলতে হয় এবং কিভাবে খুললে দ্রুত ডলার ইনকাম করা যায় সে সম্পর্কে জানতে পারবেন।

আজকের আলোচনার মূল বিষয় গুগল এডসেন্স এর একাউন্ট কিভাবে খুলতে হয়। এবং গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়। গুগল এডসেন্স থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য কি কি করতে হয় সে সম্পর্কে এই আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

পোস্ট সূচিপত্রঃ গুগল এডসেন্স এর একাউন্ট কিভাবে খুলতে হয়

গুগল এডসেন্স এর একাউন্ট কিভাবে খুলতে হয়

আমাদের থেকে অনেকেই জানতে চেয়েছেন গুগল এডসেন্স এর একাউন্ট কিভাবে খুলতে হয়এবং সহজ পদ্ধতি সম্পর্কে। চলুন তাহলে আর দেরি না করে নিচে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক। প্রথমে একটি মানসম্মত এক ওয়েবসাইট থাকতে হবে। এবং সে ওয়েবসাইটে সর্বনিম্ন ৩০ টি কনটেন্ট থাকতে হবে। এবং প্রতিটি কন্টেন্ট ১০০০ শব্দের হলে বেশি ভালো হয়। এবং প্রতিটি পোস্ট নিজের ভাষায় লিখতে হবে কপি পেস্ট বা এআই হুবাহু লিখা যাবে না

 ডোমেইন ৬ মাস বা তার অধিক পুরানা হলে ভালো এবং ওয়েবসাইটটি অবশ্যই গুগলের দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা ও নিষিদ্ধ যেমন পর্ন গ্রাফি, জুয়া, ড্রাগস নেশা দাদদ্রব্য, কপিকন্টেন্ট, এআই কন্টেন হুবাহু গুগলে পোস্ট করা এই সকল বাধা মেনে একটি সঠিক ওয়েবসাইট তৈরি করা। এবং ওয়েবসাইটে প্রতিদিন সর্বনিম্ন ১০০ ঠিক করে ক্লিক আশা।

ওয়েবসাইটে কোন কপিরাইট মামলা থাকা যাবে না যেমন অন্য কারো ওয়েবসাইট থেকে আর্টিকেল কপি করে পোস্ট করা এটি ওয়েবসাইটে এডসেন্স পাওয়া জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে। এবং ওয়েবসাইটের ডিজাইন মোবাইল ফোল্ডিং হলে অনেক ভালো। এবং ওয়েবসাইটের স্পিড বেশি থাকতে হবে যেমন ওপেন হতে এক থেকে দুই সেকেন্ড সময় এর বেশি সময় নিলেও ওয়েবসাইটের স্পিড ডাউন যা এডসেন্সের জন্য সমস্যা করে।

গুগলে অ্যাডসেন্স এর আবেদনের জন্য কি কি করতে হয় চলুন দেখে নেওয়া যাক
  • প্রথমে আপনাকে adsense.google.com যেতে হবে।
  • আপনার যে জিমেইল দিয়ে ওয়েবসাইট খোলা আছে সে জিমেইল দিয়ে সাইন আপ করতে হবে
  • এবং আপনার ওয়েবসাইটের সঠিক URL টি দিতে হবে
  • তারপরে আপনাকে নিজের দেশ অথবা যে দেশে আছেন সে দেশ নির্বাচন করতে হবে
  • অ্যাডসেন্স কোড কপি করে আপনার ওয়েবসাইটে পেস্ট করুন
  • সবকিছু সঠিকভাবে পূরণ করা হয়ে গেলে সাবমিট দিন
  • এবং আপনার ওয়েবসাইটটিকে গুগল সঠিকভাবে যাচাই করবেন এবং আপনাকে রিভিউ জানাবে

গুগলের চোখে আপনার ওয়েবসাইটটি যদি এডসেন্স পাওয়ার যোগ্য হয়ে থাকে তাহলে ১ থেকে ১৪ দিন বা সর্বোচ্চ ১ মাস এর মধ্যে আপনাকে অ্যাড চালানোর অনুমতি দিবে। এবং আপনি কোন ব্যাংকের মাধ্যমে পেমেন্ট নিবেন সে ব্যাংকের ঠিকানা দিয়ে ভেরিফাই করতে হবে। এবং ভেরিফাই হতে সর্বোচ্চ দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

গুগল এডসেন্স কেন ব্যবহার করবেন

গুগল অ্যাডসেন্স ব্যবহার করার প্রধান উদ্দেশ্য হল ওয়েবসাইট থেকে টাকা আয় করা। এবং এর পাশাপাশি ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রতিমাসে অর্থ উপার্জন করা। এবং গুগল এমন একটি নির্ভরযোগ্য  যেখানে কোন অর্থ বিনিয়োগ না করে আপনার ওয়েবসাইট এবং ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রতিমাসে মোটা অংকের টাকা আয় করতে পারবেন খুব সহজে। তো চলুন কিভাবে টাকা আয় করবেন সেই সম্পর্কে একটু বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
আপনার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন চালিয়ে যেমন টেক্সট ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আপনার কন্টেনের ট্রাফিক আনতে পারেন। এবং আপনার কন্টেনের যত ট্রাফিক বেশি হবে আপনার ইনকাম ততই বেশি হবে। এবং বড় বড় কোম্পানিগুলো আপনার ওয়েবসাইটে তারা বিজ্ঞাপন চালাতে চাইবে এবং তাদের বিজ্ঞাপন চালানোর জন্য আপনি সেখান থেকে প্রতিমাসে এক্সটার একটি অ্যামাউন্ট অর্থাৎ টাকা ইনকাম করতে পারবেন কোনরকম ইনভেস্ট ছাড়াই।

ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেল প্রস্তুত করা কেন জরুরী

গুগল এডসেন্সের অনুমোদন পাওয়ার জন্য আপনার ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেল প্রস্তুত করা অনেক জরুরী। কারণ গুগল পুরোপুরি প্রস্তুত ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেলকে ছাড়া অন্য কোন ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেলকে অ্যাড চালানোর অনুমতি দেয় না। কারন ঐ সকল ওয়েবসাইটে গুগলের দেওয়া নিয়ম নীতি এবং  মানসম্মত কন্টেনের না হলে গুগল তাকে সাথে সাথে রিজেক্ট করে দায় কারণ গুগলের চোখে এডসেন্সের অযোগ্য বলে মনে করে।
আপনার ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেল সুন্দরভাবে সাজানো এবং গোছানো থাকে। এবং গুগলের নিয়ম অনুযায়ী আপডেট থাকে এবং আপনার ওয়েবসাইটে যদি অর্গানিক ভিজিটর ভিজিটর যদি হয় এবং আপনার ওয়েবসাইট যদি এসইও করা থাকে। তাহলে আপনি দ্রুত গুগল থেকে এডসেন্স পেয়ে যাবেন। এবং ভবিষ্যতে আপনি স্থায়ীভাবে এডসেন্স থেকে মোটা অংকের টাকা আয় করতে পারবেন শুধু আপনার একটি ওয়েবসাইট এবং ইউটিউব চ্যানেল থেকে।

ভবিষ্যতে আপনি যদি ঘরে বসে স্থায়ী ইনকাম করতে চান। কোন কাজ না করে তাহলে আপনার ওয়েবসাইট এবং ইউটিউব চ্যানেলটিকে দ্রুত প্রস্তুত করা জরুরী। কারণ এখান থেকে আপনি প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা আয় করতে পারবেন খুব সহজে। তার জন্য উপরে আলোচনা করা গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো অনুসরণ করতে পারেন।

গুগল এ এডসেন্স পাওয়ার উপযুক্ত কনটেন্ট লেখার নিয়ম

গুগলে এডসেন্স পাওয়ার উপযুক্ত কনটেন্ট লেখার নিয়ম সম্পর্কে আমাদের থেকে অনেকে জানতে চেয়েছেন। তাহলে চলুন আর দেরি না করে নিচে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক। গুগলে অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য একটি কন্টেইনে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল কিওয়ার্ড রিসার্চ করা। সঠিক নিয়মে কিওয়ার্ড রিসার্চ করে যদি কনটেন্ট লিখেন তাহলে সে কন্টেন্ট দ্রুত রাংকে নিয়ে যাবে। এবং সে কন্টেনে অনেক ভিজিটর হওয়ার জন্য গুগল আপনাকে এডসেন্স এর অনুমতি দিবে।

কনটেন্ট গুলো আপনাকে লিখতে হবে সহজ ভাষায় এবং অবশ্যই ইউনিক ও মানসম্ম্য করে লিখতে হবে। যেন পাঠক কন্টেনটি পড়ে উপকৃত হতে পারে এবং এমনভাবে লিখতে হবে পুরো কনটেন্টি পড়ার যেন পাঠকের আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। এবং কনটেন্ট টি ধারাবাহিকতা বজায় রেখে লিখতে হবে সর্বনিম্ন ১০০০ থেকে ১৫০০ শব্দের মধ্যে লিখলে অনেক ভালো।

কন্টানে কিওয়ার্ড ব্যবহার টাইটেল সাবহেডিং1 সাবহেডিং 2 সাবহেডিং 3 এগুলোকে ব্যবহার করতে হবে এবং কন্টেন্টিকে প্যারা আকারে লিখেতে হবে। কন্টেনে কোন কপি করে লেখা যাবে না এবং কপিরাইট যুক্ত ছবি ব্যবহার করা যাবে না। এবং কনটেন্ট নিয়মিত লিখে গুগলে পোস্ট করতে হবে। এবং google এর দেয়া নিয়ম মেনে কন্টেনগুলো লিখতে হবে। ওয়েবসাইটকে একটিভ রাখতে হবে, যা গুগলের চোখে আপনার ওয়েবসাইটকে আরো মূল্যমান আকর্ষণীয় করে তুলবে এবং অ্যাডসেন্স সুযোগ বাড়ায়।

ওয়েবসাইটের ডোমেইন হোস্টিং কেমন ডিজাইন হওয়া উচিত

গুগল রাংকিং এর জন্য ওয়েবসাইটের ডোমেইন হোস্টিং কেমন হওয়া উচিত সে সম্পর্কে আমাদের থেকে অনেকে জানতে চেয়েছেন। তাহলে চলুন এই পর্বে সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।  ডোমেইনের জটিল নাম ব্যবহার না করা উচিত কারণ যে কারণ জটিল নাম সবাই পড়তে পারে না এবং জটিল নাম সবার মনে থাকে না তাই ডোমেইনের সহজ ছোট নাম দেয়া উচিত যেমন Tecky bazar It এই ধরনের সহজ নামগুলো। এবং টপ লেবেলের ডোমেন ব্যবহার করা উচিত যেমন .com .net .org ডটকম বিশ্বাসযোগ্য।

ওয়েবসাইটের হোস্টিং যেমন হওয়া উচিতঃ  ওয়েবসাইটে স্লো হলে অ্যাডসেন্স রিভিউ ব্যর্থ হতে পারে। এবং ওয়েবসাইটের ভিজিটর কমে যেতে পারে। এমন হোস্টিং ব্যবহার করতে হবে যেখানে অতিরিক্ত বা বেশি ভিজিটর হলেও সমস্যা না হয় কন্ট্রোল করতে পারে। ৯৯% একটি ওয়েবসাইটে ওয়াস টাইম থাকা অনেক ভালো সার্ভার যেন সব সময়ের জন্য ওয়ান থাকে।
ওয়েবসাইট ডিজাইন যেমন হওয়া উচিতঃ ওয়েবসাইটের প্রথম ডিজাইনটি হতে হবে মোবাইল ফোল্ডিং। এবং ওয়েবসাইটটি যেন অনেক সুন্দর ভাবে মোবাইলে দেখা যায় এমন ফোল্ডিং চালু করতে হবে। এবং ওয়েবসাইটটিকে সুন্দর করে সাজাতে হবে এবং সহজে ব্যবহার করা যায় এবং পেশাদারী ডিজাইন তৈরি করতে হবে। এবং গুরুত্বপূর্ণ পেজ থাকতে হবে যেমন About Us,Contact Us,Privacy Policy, ইত্যাদি।

Privacy Policy, About ও Contact পেজ কেন জরুরি

গুগলে আপনার ওয়েবসাইটটিকে র‍্যাংক করার জন্য এবং বিজ্ঞাপন চালানোর অনুমতির জন্য Privacy Policy, About ও Contact পেজ কেন জরুরি চলুন তাহলে সহজ ভাষায় নিচে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক Privacy Policy এটি দেখানো সবথেকে বড় কারণ হলো যে আপনি গুগলের সকল নীতিমালা মেনে চলেন। এবং ব্যবহারকারী আপনার ওয়েবসাইটে নিরাপদ থাকতে পারে। এবং google আপনার ওয়েবসাইটটিকে জনপ্রিয় করে তুলবে এবং র‍্যাংকের প্রথম স্থানে দেখাবে

About Us পেজটি অনেক জরুরীঃ এই About Us পেজটি আপনার ওয়েবসাইটকে গুগলের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে। এবং google খুব সহজে বুঝে নিতে পারবে এই ওয়েবসাইটের মালিকের উদ্দেশ্য কি এবং এ ওয়েবসাইটের মালিক কে। এবং google কন্টেনের মান এবং কন্টেনের উদ্দেশ্য এই সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে ধারণা নিতে পারে।
Contact Us এ পেজটি ব্যবহার করা জরুরী এর মূল কারণ হলো google আপনার সাথে যোগাযোগ রাখতে পারবে কন্টাক্ট এর মাধ্যমে গুগল বুঝতে পারে এ ওয়েবসাইটটি একজন প্রকৃত ব্যক্তি দ্বারা পরিচালনা করা হয়। এবং কোন কারণবশত ব্যবহারকারীর সমস্যায় পড়ে গেলে আপনার সাথে যোগাযোগ করে সহজে সমাধান নিতে পারবে। এ সকল নিয়মগুলো মেনে ওয়েবসাইট তৈরি করলে গুগল থেকে এডসেন্স পাওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়।

গুগলে এডসেন্স পাওয়ার জন্য ১০ টি যোগ্যতার প্রয়োজন

গুগলে অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য যে ১০ টি যোগ্যতার প্রয়োজন রয়েছে। সে দশটি যোগ্যতার সম্পর্কে আমাদের থেকে অনেকে জানতে চেয়েছেন চলুন তাহলে আর দেরি না করে সেই দশটি যোগ্যতার সম্পর্কে আলোচনা করি।
  • গুগলে অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য প্রতিটি কনটেন্ট ইউনিক এবং মানসম্মত ভাবে লিখা থাকতে হবে এবং ওয়েবসাইটের সর্বনিম্ন ২০ থেকে ৩০টি কন্টেন্ট থাকতে হবে প্রতিটি কনটেন্ট ১০০০ থেকে ১৫০০ শব্দ হলে ভালো
  • এবং ওয়েবসাইটটি হতে হবে সম্পূর্ণ লোভনীয় ও আকর্ষণীয় এবং লোডিং স্পিড অনেক ভালো হতে হবে
  • এবং একটি ওয়েবসাইটে সর্বনিম্ন তিনটি পেজ থাকতে হবে যেমন About Us, Contact Us, Privacy Policy এ ওয়েবসাইটগুলো গুগলে এডসেন্স পাওয়ার জন্য সাহায্য করে
  • এবং google এর দেওয়া সকল নিয়ম নীতি অনুসরণ করে কন্টেন লিখতে হবে এবং ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে
  • এবং ওয়েবসাইট নিয়ন্ত্রণকারীর বয়স অবশ্যই ১৮ প্লাস হতে হবে
  • এবং ওয়েবসাইটে অর্গানিক ভিজিটর থাকতে হবে এবং সর্বনিম্ন প্রতিদিন ১০০ ক্লিক থাকতে হবে
  • এবং আপনার ওয়েবসাইটের ডোমেটি অবশ্যই বিশ্বাসযোগ্য হতে হবে যেমন.com .net
  • আপনার কনটেন্ট গুলো ওয়েবসাইটের হোমপেজে সাজানো গোছানো থাকতে হবে
  • আপনার ওয়েবসাইটের কনটেনগুলো অবশ্যই google হোল্ডিং অর্থাৎ এসি অপটিমাইজেশন করা থাকতে হবে

এডসেন্সের জন্য রিকোয়েস্ট করে কেন বারবার রিজেক্ট হয়

এডসেন্স রিকোয়েস্ট করার পরও বারবার রিজেক্ট হয় এর মূল দশটি কারণ হয়ে। চলুন সেই মূল দশটি কারণ সম্পর্কে নিচের জেনে নেওয়া যাক।
  • গুগলের নিয়ম না মেনে কন্টেন পাবলিক করা এবং কন্টেন ইসিও করে না লিখা
  • ওয়েবসাইটে আর্টিকেল বা পোস্ট এর সংখ্যা অনেক কম এবং আর্টিকেলে ভিজিটর হয় না
  • এবং প্রতিদিন গড়ে ১০০ টি নিচে ক্লিক হওয়া
  • এবং অন্য কারো ওয়েবসাইট থেকে আর্টিকেল কপি করে লেখা এবং এ আই দিয়ে কপি লিখা
  • নতুন ওয়েবসাইট এক থেকে দুই সপ্তাহ পর এডসেন্সের আবেদন করা। একটি ওয়েবসাইটে বয়স সর্বনিম্ন এক থেকে দুই মাস হওয়া উচিত তারপর এডসেন্সের আবেদন করা।
  • About Us,Contact Us,Privacy Policy, এই সমস্ত পেজগুলো না থাকা
  • বারবার এডসেন্স রিজেক্ট হওয়ার পরেও আর্টিকেলগুলো সমস্যা সমাধান না করা
  • এবং ওয়েবসাইট ওপেন এর স্পিড না থাকা
  • এবং আর্টিকেলে ওয়ান পেজ এসইও না করা

একটি আর্টিকেল কত শব্দের হলে গুগলের চোখে ভালো

গুগলের চোখে একটি সুন্দর আকর্ষণীয় আর্টিকেল লিখার জন্য কত শব্দের হলে ভালো এর কোন নির্দিষ্ট শব্দ সংখ্যা নেই। তবে বর্তমান এসইও এবং এডসেন্স পাওয়ার জন্য আমার  অভিজ্ঞতা অনুযায়ী একটি আর্টিকেলের সর্বনিম্ন ৮০০ থেকে ১৫০০ ওয়ার্ড হলে বেশি ভালো। এবং গুগলের চোখে এটি একটি ভালো আর্টিকেল হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়
র‍্যাংকিংয়ে প্রথমে নেওয়া তার জন্য ১২০০ থেকে ১৮০০ শব্দের মধ্যে আর্টিকেল গুলো সব থেকে বেশি ভূমিকা পালন করে। কারণ এ আর্টিকেল গুলোতে তথ্য বেশি দেওয়া যায় এবং অর্গানিক ভাবে কিওয়ার্ড বেশি ব্যবহার করা যায়। এবং ব্যাকিং বা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে। এবং এ আর্টিকেল গুলোতে অর্গানিক ভিউ এবং ক্লিক বেশি পাওয়া যায়।

২০০০ শব্দের মধ্যে কনটেন্ট লিখলে সেখানে ইউনিক তথ্য অনেকগুলো তথ্য দেওয়া যায়। এবং পুরো আর্টিকেলটি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। ফলে পাঠক পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ে এবং উপকৃত হতে পারে। এবং এসিও অপটিমাইজেশন করে লিখা যায় অনেক সহজে।

লেখকের মতামত

গুগল এডসেন্স এর একাউন্ট কিভাবে খুলতে হয় প্রিয় পাঠক আশা করি পুরো আর্টিকেলটি আপনি মনোযোগ দিয়ে পড়ে উপকৃত হতে পেরেছেন। এবং গুগল এডসেন্স একাউন্ট কিভাবে খুলবেন এবং কিভাবে সেখান থেকে টাকা ব্যাংকে নিবেন সেই সম্পর্কে আশা করি আপনি বিস্তারিত জেনে গেছেন। কারণ এই আর্টিকেলে আলোচনা করা হয়েছে গুগল থেকে কিভাবে এডসেন্স পাবেন। 

ওয়েবসাইটে বা ইউটিউব চ্যানেলে কিভাবে এডসেন্স চালু করবেন। অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য উপযুক্ত কনটেন্ট কিভাবে লিখতে হয়। কিভাবে ওয়েবসাইটে মোবাইল ফোল্ডিং চালু করবেন। এবং এডসেন্স এর আবেদন করে রিজেক্ট হওয়ার কারণ এই সমস্ত বিষয়ে আশা করি আপনি বিস্তারিত জেনে গেছেন।  প্রিয়  পাঠক আপনার সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করি টেকিবাজার

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

টেকি বাজার আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Touhid Islalm
Md. Touhid Islalm
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও অর্ডিনারি আইটির সিনিয়র সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।