অন পেজ এসইও কি এবং কিভাবে করবেন
আপনি কি দুশ্চিন্তায় ভুগছেন কিভাবে অন পেজ এসইও কি এবং কিভাবে করবেন সেই
সম্পর্কে আপনি সঠিক তথ্য জানতে পারছেন না। তাহলে আজকে আপনি একটি সঠিক
আর্টিকেল ওপেন করেছেন। আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কিভাবে অন
পেজ এসইও করে। চলুন তাহলে আর দেরি না করে নিচে বিস্তারিত জেনে নি
অন পেজ SEO কীঃ অন পেজ SEO কীঃ হলো এমন এক ধরনের সাজ ইঞ্জিল
অপটিমাইজেশন যেখানে আপনার ওয়েবসাইটকে গুগল সার্চ ব্যাংকে প্রথমে দেখার
জন্য ওয়েবসাইটের ভিতর যে সমস্ত আমরা কাজ করে থাকি তাকে অন পেজ SEO বলা
হয়ে থাকে। ওয়েবসাইটের ভিতরে যে সমস্ত কাজ করে থাকি যেমন টাইটেল, ইউআরএল,
কনটেন্ট, হেডিং, ইমেজ, ইন্টারনাল লিংক ইত্যাদি।
অন পেজ SEO করার প্রথম ধাপে আপনাকে সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে। সঠিক
কিওয়ার্ড নির্বাচন করার মাধ্যমে গুগল সার্চ ইঞ্জিল বুঝতে পারে আপনার
কনটেন্টটির সম্পর্কে। কি আরটি অবশ্যই ফোকাস কিওয়ার্ড হতে হবে এবং টাইটেল
ট্যাগ এবংমেটা ডিসক্রিপশন অবশ্যই লোভনীয় করে লিখতে হবে। এবং ফোকাস
কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে ফোকাস কিওয়ার্ড এর সাথে মিল
রেখে LSI কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।
পাঠকের মনোযোগ দীর্ঘ সময় ধরে রাখার জন্য ইন্টার্নাল লিংক তৈরি করতে হবে
প্রতিটি আর্টিকেলে সর্বনিম্ন তিনটি করে ইন্টার্নাল লিংক ব্যবহার করতে হবে।
এবং আর্টিকেলের সাথে মিল রেখে অন্য আর্টিকেলের লিংক ব্যবহার করতে হবে। উদাহরণ
যেমন ভাইবা পরীক্ষা দেওয়ার নিয়ম এবং সিভি লেখার নিয়ম ইত্যাদি। এবং
আর্টিকেলের মধ্যে দুই তিনটি ইমেজ ব্যবহার করতে হবে তাহলে পাঠকের মনোযোগ দীর্ঘ
সময় ধরে রাখতে পারবেন।
এবং কনটেনের প্রতিটি হেডিং ফোকাস কিওয়ার দিয়ে লিখতে হবে। কন্টেনের প্যারায়
ফোকাস কিওয়ার্ড ব্যবহার না করা ভালো। চেষ্টা করতে হবে ফোকাস কিওয়ার্ড দিয়ে
হেডিং লেখার। এবং পার্মালিঙ্ক Taka-Bus এক থেকে দুই সংখ্যা বা সর্বোচ্চ
তিন সংখ্যা এই নিয়মে ব্যবহার করা।পার্মালিঙ্ক গুগল সার্চ রেঙ্কে এর জন্য
অনেকটা কাজ করে পার্মালিঙ্ক ।
অন পেজ এসইও মেটা ডিসক্রিপশন লেখার নিয়ম
অন পেজ এসইও মেটা ডিসক্রিপশন লেখার নিয়ম সম্পর্কে আপনি কি বিস্তারিত
জানতে আগ্রহী তাহলে চলুন নিচে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক। মেটা ডিসক্রিপশন কে
বলা হয়ে থাকে পুরো আর্টিকেলের মূল কথা অথবা সারাংশ। মেটা ডিসক্রিপশন পুরো
আর্টিকেলের মূল অংশ কারণ পাঠক মেটা ডিসক্রিপশন যদি আকর্ষণীয় ভালো হয়
তাহলে পাঠক আর্টিকেলটি ওপেন করে যদি ভালো না হয় আর্টিকেলটি তাহলে ওপেন করে না।
তাই মেটা ডিসক্রিপশন লিখতে হবে আকর্ষণীয় এবং লোভনীয় করে যাতে পাঠক দেখে বাধ্য
হয় এবং পুরো আর্টিকেলটি পড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে।এবং মেটা
ডিসক্রিপশন ক্লিক-থ্রু রেট CTR বাড়াতে সাহায্য করে।মেটা ডিসক্রিপশন
সব সময়ই লোভনীয় করে লিখতে হবে এবং ফোকাস কিওয়ার্ড দিয়ে লিখতে হবে এবং LSI
কিওয়ার্ড দিয়ে লিখতে হবে। তাহলে সার্চ ইঞ্জিল আপনার পোস্টটিকে প্রথম দিকে
নিয়ে আসবে।
এবং আর্টিকেলের মধ্যে সর্বনিম্ন তিন থেকে চারটি লিংক ব্যবহার করতে হবে। আরো
পড়ুন আরো বিস্তারিত জেনে নিন এই ধরনের লিংক গুলি ব্যবহার করতে হবে।
তাহলে আপনার পোস্টে ক্লিক এবং ভিজিটর বেশি হবে।এবং মেটা ডিসক্রিপশন এর
ক্যারেক্টার ১৫০ থেকে ১৬০ ক্যারেক্টারের মধ্যে হতে হবে এর বেশি না লিখা
উত্তম।
অন পেজ SEO টাইটেল ট্যাগ লিখার নিয়ম
টাইটেল ট্যাগ লিখার নিয়ম সঠিক নিয়ম আপনি জানতে পারছেন না? তার জন্য
আপনি কি চিন্তিত আর চিন্তিত হওয়ার কোন কারণ নাই কারণ আপনি সঠিক আর্টিকেল ওপেন
করেছেন। এই আর্টিকেলের মধ্যে রয়েছে টাইটেল ট্যাগ কিভাবে লিখবেন। এবং কত
ক্যারেক্টারের মধ্যে লিখলে ভালো হয় এবং কিভাবে লিখলে গুগল সার্চ র্যাঙ্ককে
আপনার ওয়েবসাইটটি প্রথমে দেখাবে চলুন তাহলে সে সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত জেনে
নেই।
টাইটেল ট্যাগ ৫০ থেকে ৬০ ক্যারেক্টারের মধ্যে লিখলে সবথেকে বেশি ভালো। তার অধিক
যদি আপনি লিখেন গুগল বাকি অংশ গ্রহণ করবে না। টাইটেল ট্যাগ ফোকাস কিওয়ার্ড
দিয়ে শুরু করতে হবে এবং LSI কিওয়ার্ড দিয়ে শেষ করতে হবে। তাহলে
আর্টিকেলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে গুগল সার্চ ইঞ্জিল বিস্তারিত একটি ধারণা
পাবে।
এবং চেষ্টা করতে হবে ফোকাস কিওয়ার্ড দিয়ে লেখা এবং লোভনীয় করে লিখা।
যাতে করে পাঠক টাইটেল লিখে পুরো পোস্টটি পড়ার আগ্রহ পোষণ করে। এবং শুরুতে
বিনোদন মূলক কথা উল্লেখ করা যাতে পাঠক পুরো পোস্টটি বিনোদনের সাথে এবং আগ্রহের
সাথে পড়তে থাকার চেষ্টা করেন।
হেডিং ট্যাগ ব্যবহার এর গুরুত্ব জেনে নিন
হেডিং ট্যাগ ব্যবহারের গুরুত্ব সম্পর্কে চলুন নিচের বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
ওয়ান পেজ এসইও এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হলো হেডিং ট্যাগ। একটি আর্টিকেলকে
রেঙ্কে নিয়ে যাওয়ার জন্য এবং পাঠকের মনোযোগ ধরে রাখার জন্য দারুণ ভূমিকা পালন
করে। এবং কনটেন্টটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং কনটেন্ট ক্লিক ও ভিউ বৃদ্ধি করতে
দারুণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তো চলুন নিচে আরো বিস্তারিত জেনে নেওয়া
যাক।
হেডিং ট্যাগ কন্টেনের কোন অংশে কি রয়েছে তা পাঠককে বিস্তারিত জানতে সাহায্য
করে। এবং পাঠককে পুরো পোস্ট খোঁজাখুঁজি করতে হয় না শুধুমাত্র হেডিং ট্যাগের
জন্য। এবং সার্চ ইঞ্জিল আপনার কন্টেনের বিষয়বস্তু সহজে বুঝতে
পারে। এবং আপনার কনটেন্টিকে সামনে দিকে নিয়ে আসতে ভূমিকা পালন করে। এবং আপনি
আপনার কন্টেনে প্রয়োজনমতো কিওয়ার্ড ব্যবহার করার সুযোগ পান।
সঠিক কিওয়ার্ড কোথায় কোথায় ব্যবহার করা উচিত জেনে নিন
একটি কন্টেইনের জন্য যেমন সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ঠিক
তেমনি একটি কন্টেনে কোথায় কোথায় ফোকাস কিওয়ার্ড ব্যবহার করবেন সেটা জানা ঠিক
তেমনি জরুরী। কিওয়ার্ড সঠিকভাবে ব্যবহার না করলে গুগল সার্চ সাচ রেঙ্কে কে
কখনো প্রথম দিকে আসবে না। ঠিক আপনি যদি সঠিক জায়গায় কিওয়ার্ড ব্যবহার
করেন তাহলে গুগল সার্চ রেঙ্কে আপনার কি প্রথম দিকে নিয়ে আসতে পারবে কারণ আপনার
কিওয়ার্ড সহজ গুগল বুঝতে পারে।
আপনার ওয়েবসাইটিকে র্যাংকিং এ নিয়ে আসার জন্য কিওয়ার্ড সঠিক জায়গায়
ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে চলুন সঠিক জায়গায় কোথায় কোথায় কি
ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয় চলুন সে সম্পর্কে জেনে নিন।
- টাইটেল ট্যাগ
- মেটা ডিসক্রিপশন
- URL
- প্রথম অনুচ্ছেদে
- কন্টেনের মাঝখানে
- হেডিং ট্যাগে
- ইমেজ ট্যাগে
ওয়ান পেজ এসইও এবং অফ পেজ এসইও এর মধ্যে পার্থক্য
ওয়ান পেজ এসিও হলো আমরা ওয়েবসাইটের ভিতরে যে সমস্ত এসইও গুলো করে থাকি
সেগুলোকে
ওয়ান পেজ এসিও বলে। যেমন কনটেন্ট, টাইটেল, মেটা ট্যাগ, URL, ইমেজ,
লিঙ্ক ইত্যাদি এগুলোকে ওয়ান পেজ এসিও বলা হয় এবার চলুন তাহলে অফ পেজ এসিও
কাকে বলে দেখেনি।
ওয়াব পেজ এসিও হলো আমরা ওয়েবসাইটের বাহিরে থেকে যে সমস্ত কাজ করে থাকি আমাদের
ওয়েবসাইটকে জনপ্রিয় করার জন্য। সে সমস্ত টেকনিক গুলোকে অফ পেজ এস ই
যেমন ব্যাকলিংক তৈরি, গেস্ট পোস্টিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ইত্যাদি
এগুলোকে অফ পেজ এসিও বলে।
ওয়েবসাইটের স্পীড ও মোবাইল ফোল্ডিং ডিজাইন করা, কেন জরুরী
ওয়েবসাইটের স্পিড ও মোবাইল ফোল্ডিং ডিজাইন করা কেন জরুরী আপনি কি সেই সম্পর্কে
সঠিক এবং বিস্তারিত তথ্য আমাদের কাছ থেকে জেনে নিতে ইচ্ছুক তাহলে চলুন নিচের
বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক। আপনার ওয়েবসাইটে শতকরা ৮০% মোবাইল থেকে ভিজিটর আসে
তাই আপনার ওয়েবসাইটটি অবশ্যই মোবাইল ফোল্ডিং ডিজাইন হতে হবে। শতকরা ২০%
ভিজিটর কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থেকে আসে।
gআপনার ওয়েবসাইটটি যদি স্পিড ভালো থাকে তাহলে ভিজিটর বেশি পাবেন।
সাধারণত একজন ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে ঢোকার পর যদি দুই থেকে চার সেকেন্ড এর
বেশি সময় লাগে লোড হতে। তাহলে আপনার ওয়েবসাইট থেকে ভিজিটর চলে যায়।
এবং গুগল এ আপনার ওয়েবসাইট গুগলের র্যাঙ্ক করে না আপনার ওয়েবসাইট
লোডিং নিতে সময় বেশি লাগে তার জন্য।
ওয়ান পেজ এসইও তে ইন্টারনাল লিংক ব্যবহার করার নিয়ম
ফোন পেজ এসচিও তে ইন্টারনাল লিংক ব্যবহার করার গুরুত্ব কেন? এবং কেন ব্যবহার
করবেন ব্যবহার করলে কি লাভ হবে চলুন তাহলে সে সম্পর্কে নিজে বিস্তারিত জেনে
নেওয়া যাক। ইন্টারনাল লিংক আর্টিকেল এর সঙ্গে মিল রেখে অন্য আর্টিকেলের
একটি লিঙ্ক দেওয়াকে ইন্টারনাল লিংক বলে।
ইন্টারনাল লিংক দেয়ার মাধ্যমে আপনার লাভ হবে। পাঠক একটি আর্টিকেল পরতে গিয়ে
দুইটি তিনটি আর্টিকেল পড়ে ফেলবে। তাই বলে অতিরিক্ত ইন্টারনাল লিংক
ব্যবহার করা যাবে না একটি আর্টিকেলের সর্বোচ্চ দুই থেকে তিনটি ইন্টারনাল
লিংক ব্যবহার করা যাবে। অতিরিক্ত ব্যবহার করলে পাঠক বিরক্ত মনে করবে।
ইন্টারনাল লিংক ব্যবহার করতে হবে প্রথম মূল হেডিং এর নিচের অংশে এবং দ্বিতীয়
ইন্টারনাল লিংক ব্যবহার করতে হবে আর্টিকেলের মাঝের অংশে। এবং
তৃতীয় ইন্টারনাল লিংক ব্যবহার করতে হবে শেষের প্যারার উপরের অংশে।
এবং আপনি চাইলে চতুর্থ ইন্টারনাল লিংক সব নিচের উপরের অংশে ব্যবহার করতে
পারেন। তাহলে পাঠক আপনার লিংক ব্যবহার করে করা দেখে খুশি হবে।
কন্টেনের মান বৃদ্ধি ও AEO ফোল্ডিং করার টিপস সম্পর্কে জেনে নিন
কন্টেনের মান বৃদ্ধি ও এসইও ফোল্ডিং করার জন্য প্রথমে আপনাকে কম্পিটিশন
কিওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে। যে কিওয়ার্ড গুলো বর্তমান সময়ে
ট্রেন্ডিংয়ে রয়েছে বর্তমান সময়ে মানুষ বেশি সার্চ করে সে কিয়ট গুলি নিয়ে
আর্টিকেল লিখতে হবে। যেন গুগল সার্চ এ সার্চ রেঙ্কে আপনার আর্টিকেলটিকে
প্রথমদিকে দেখাতে পারে তার জন্য ভাইরাল কনটেন্ট লিখতে হবে যে কন্টিনেন্ট গুলি
মানুষ প্রতিদিন সার্চ করে।
এবং আপনাকে কন্টেন লিখতে হবে ইউনিক করি বা নতুন তথ্য দিয়ে কন্টেন লিখতে
হবে। তাহলে গুগল আপনার আর্টিকেলটি গুগল সার্চ ব্যাংকে প্রথম স্থানে
দেখাবে। এবং গুগল যে আর্টিকেল গুলোর মধ্যে নতুন তথ্য এবং ইউনিট তথ্য দেখতে পাই
সে আর্টিকেলগুলোকে সার্চ রেঙ্কে এর প্রথম স্থানে নিয়ে যায়।
শেষ কথা - অন পেজ এসইও কি এবং কিভাবে করবেন
প্রিয় পাঠক আশা করি অন পেজ এসইও কি এবং কিভাবে করবেন সেই সম্পর্কে
বিস্তারিত আর্টিকেলটি পড়ে জানতে পেরেছেন। আর্টিকেলটির মধ্যে আলোচনা করা হয়েছে
ওয়ান পেজ এসিও কি এবং কিভাবে করবেন এবং ওয়ান পেজ এসিও মেটা ডিসক্রিপশন
লেখার নিয়ম। ওয়ান পেজ এসিও টাইটেল লেখার নিয়ম এবং হেডিং ট্যাগ ব্যবহার করার
গুরুত্ব। এবং আরও রয়েছে সঠিক কিওয়ার্ড কোথায় ব্যবহার করতে হয়।ও ওয়ান
পেজ ও অপ পেজ এর মধ্যে পার্থক্য ইত্যাদি।
প্রিয় পাঠক আশা করি পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ে আপনি বিস্তারিত জানতে
পেরেছেন। অন পেজ এসইও কি এবং কিভাবে করবেন আশা করি আপনার আর কোন সমস্যা হবে না।
প্রিয় পাঠক আপনার সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করে আজকের আর্টিকেল এখানে সমাপ্ত
করছি টেকি বাজার।
টেকি বাজার আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url